সাউথ এশিয়ান রিপোর্ট ডেস্ক দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। এ সংক্রান্ত ব্যাংক হিসাবের সব লেনদেনের তথ্য তলব করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের গোয়েন্দা ইউনিট বিএফআইইউতে।
গত বছরের ২১ আগস্ট দুদকের প্রধান কার্যালয়ের অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য জানা যায়। চিঠিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা লেনদেনের সব তথ্য চাওয়া হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করতেন। এ কাজে তার সহযোগী ছিলেন সাবেক পিএস অতিরিক্ত সচিব হারুন অর রশিদ বিশ্বাস, যুগ্মসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস, সহকারী একান্ত সচিব মনির হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা ইব্রাহিম হোসেন এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু।
অভিযোগ অনুযায়ী, জেলা পুলিশ সুপার নিয়োগে এই সিন্ডিকেট ৮০ লাখ থেকে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত দাবি করতো। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে নিয়োগের জন্যও পাঁচ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
২০১৮ সালে একটি উন্নয়ন সংস্থার ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ নিতে গিয়ে ৮৫ লাখ টাকা দিতে বাধ্য হন অভিযোগকারী। এছাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে নিয়োগের ক্ষেত্রে মন্ত্রীর নির্দেশে তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হতো, যেখানে জনপ্রতি ৮-১২ লাখ টাকা দাবি করা হতো।