সাউথ এশিয়ান রিপোর্ট ডেস্ক মিসরের জলসীমায় ড্রোন হামলায় দুটি গ্যাসবাহী ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে সুয়েজ খাল ও সুমেদ (SUMED) পাইপলাইন দিয়ে তেল রপ্তানির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই রুটটি সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরের কাছে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার দায় কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি এবং সুয়েজ খালকে লক্ষ্য করে প্রকাশ্য হুমকিও দেওয়া হয়নি। তবে এই ঘটনার ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এমএসটি মারকির প্রধান গবেষক সাউল কাভোনিক জানান, লোহিত সাগর হয়ে ভূমধ্যসাগরে যাওয়ার পথও যদি ঝুঁকির মুখে পড়ে, তাহলে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।
বাজার বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সৌদি তেলবাহী জাহাজের একটি বড় অংশ লোহিত সাগর হয়ে সুয়েজ খাল ও সুমেদ পাইপলাইনের দিকে যাচ্ছে। জুলাই মাসে সুমেদ পাইপলাইন দিয়ে অপরিশোধিত তেল পরিবহনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৮৭ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেলে।
এদিকে, হামলার পরও বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। ব্যবসায়ীরা ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে চলমান আলোচনাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।