সাউথ এশিয়ান রিপোর্ট ডেস্ক নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নে খসড়া প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করেছে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটি। প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকেই নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়ন শুরু হবে। ধাপে ধাপে ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রিসভা নতুন বেতন কাঠামো কত ধাপে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। বুধবার (১২ আগস্ট) অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রস্তাবনাটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য নীতিগতভাবে চূড়ান্ত করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নতুন বেতন কাঠামোয় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলকভাবে বেশি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ফিরোজ মিয়া বলেন, নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন একবারে ১০০ শতাংশ বাড়ানো উচিত। তিনি মনে করেন, উচ্চ গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন প্রাথমিকভাবে না বাড়ালেও সমস্যা নেই।
বিচার বিভাগ নিয়ে কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে নবম পে-স্কেল চূড়ান্ত করার পর্যায়ে। এসব জটিলতা নিরসন করতে ৬ আগস্ট অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নবম পে-স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। ২০১৫ সালের পর নতুন পে-স্কেল ঘোষণা হয়নি, ফলে নবম পে-স্কেলের দাবি জোরালো হয়েছে।