হিমবাহ ধসে সৃষ্টি হওয়া আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস নেপালের জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। বিশেষ করে রাসুয়া এবং নুয়াকোট জেলার ভোটেকোশি ও ত্রিশুলী নদী অববাহিকায় এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে। এই দুর্যোগে নেপালে অন্তত ১ হাজার ২৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনো ৫ হাজার ৮৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। প্রধান সেতু ও যোগাযোগব্যবস্থা ভেসে যাওয়ায় বহু মানুষ পানিবন্দী বা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন, যার ফলে নদী পারাপারে ঝুঁকিপূর্ণ অস্থায়ী ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অন্যদিকে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে দীর্ঘ ৯ দিন আটকে থাকা শ্রমিকদের অবিশ্বাস্যভাবে জীবিত উদ্ধার করার মতো ঘটনাও ঘটেছে। দুর্যোগের পরবর্তী উদ্ধারকাজ, ক্ষয়ক্ষতি ও মানুষের টিকে থাকার সংগ্রামের কিছু চিত্র নিয়ে আজকের ছবির গল্পত্রিশুলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাঁদেরই একজন কবির মহারজান। তাঁকে নিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরাএই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছেন অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরাপ্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়া অপর এক ব্যক্তিকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরাসুড়ঙ্গ থেকে দীর্ঘ ৯ দিন পর সঞ্জয় সাহ নামের এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আকাশপথে কাঠমান্ডু পাঠাতে নুয়াকোটের একটি সেনাঘাঁটি থেকে তাঁকে নিয়ে যাচ্ছেন সেনাসদস্যরাভয়াবহ বন্যায় সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কোলনি এলাকার বাসিন্দারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। নদী পার হতে তাঁরা খাঁচায় চড়ে একটি অস্থায়ী জিপলাইন ব্যবহার করছেননদী পার হওয়ার জন্য কোলনি এলাকায় অস্থায়ী জিপলাইনের খাঁচায় চড়ার অপেক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাআকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের পর নুয়াকোট জেলার ত্রিশুলীতে একটি ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঅস্থায়ী জিপলাইনের মাধ্যমে নদী পার হচ্ছেন মানুষ। এ সময় উদ্ধারকর্মীরা সেই খাঁচা টেনে নিচ্ছেননুয়াকোটের একটি অস্থায়ী ত্রাণশিবিরের বাইরে বন্যাদুর্গত নিখোঁজ মানুষদের ছবি দেখছেন কয়েকজনআকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে রাসুয়া জেলার স্যাব্রুবেশি শহরে রাস্তার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকা একটি গাড়িRead More: Read More