ডিএনসিসির মশার ওষুধ কেনায় অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুদক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মশকনিধন কার্যক্রমে মশার ওষুধ ও যন্ত্রপাতি কেনায় অনিয়ম-দুর্নীতি এবং মানহীন কীটনাশক কেনার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট ইউনিট। অভিযানের সময় ডিএনসিসির ভান্ডার ও গত বছর মশকনিধনে ব্যবহৃত কীটনাশক কেনাসংক্রান্ত ক্রয় বিভাগের নথিপত্র পর্যালোচনা করেন দুদকের কর্মকর্তারা। প্রাথমিক পর্যালোচনায় একই প্রতিষ্ঠানকে বারবার ক্রয়াদেশ দেওয়া, সক্ষমতা যাচাইয়ে পরিদর্শন না করা এবং দরপত্রে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বাজারদর সংগ্রহ করে প্রাক্কলন তৈরির অনিয়ম পায় দুদক।আজ বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুদকের জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান।দুদক জানায়, ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস মশার ওপর প্রয়োগ না করে কিউলেক্স মশার ওপর প্রয়োগের পরীক্ষার প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে কীটনাশক বাছাই করা হয়েছিল বলে টিম জানতে পেরেছে। এ ছাড়া ক্রমাগত কীটনাশক প্রয়োগের ফলে এডিস মশার প্রতিরোধ ও কার্যকারিতা যাচাইয়ে কোনো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়নি। এ বিষয়ে অধিকতর যাচাইয়ের জন্য কীটনাশকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও খতিয়ে দেখে দুদক। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানতে পারে, ময়লা সংগ্রহের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন থেকে নির্দিষ্ট কোনো টাকার পরিমাণ নির্ধারণ করা নেই। বর্জ্য সংগ্রহকারীদের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ বা তাঁদের সঙ্গে কোনো চুক্তিও নেই। এর ফলে বিভিন্ন স্থানে ময়লা সংগ্রহের বিল বিভিন্ন পরিমাণ এবং অতিরিক্ত বিল নেওয়ার সত্যতা পাওয়া গেছে।Read More: Read More

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top