সাউথ এশিয়ান রিপোর্ট ডেস্ক ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রেক্ষিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন জাতির ন্যায়বিচার, বৈষম্যহীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানায়। তাদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আহত ও সাহসিকতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকলের প্রতি জানানো হয়েছে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।
বুয়েটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একটি বিশ্ববিদ্যালয় কেবল জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়; এটি স্বাধীন চিন্তা, নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিক মর্যাদা এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের বিকাশের ভিত্তি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা-সাম্য, ন্যায়, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার-এগুলো শিক্ষার, গবেষণার ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের মধ্যে প্রতিফলিত হওয়া উচিত।
বুয়েট পরিবারের সকল সদস্যকে আহ্বান জানানো হয়েছে, মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শিক্ষা ও আদর্শ ধারণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক, সহনশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে।
পরিশেষে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সকলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করা হয়েছে এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত বুয়েটের সকল সদস্যের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।