সাউথ এশিয়ান রিপোর্ট ডেস্ক ইসলামে দোয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। এটি নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের মতো একটি আলাদা ইবাদত এবং এর বিশেষ ফজিলত রয়েছে। সূরা মুমিনের ৬০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বান্দাদেরকে দোয়া করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “তোমরা আমার নিকট দোয়া করো, আমি তোমাদের দোয়া কবুল করব।”
জান্নাত মুমিনের কাঙ্ক্ষিত ঠিকানা। আল্লাহ তাআলা বান্দাকে ঈমান ও আমলের প্রতিদান হিসেবে পরকালে জান্নাত দেবেন। দোয়ার মাধ্যমে জান্নাত লাভের জন্য ইখলাসের সঙ্গে আমল করা প্রয়োজন। হাদিসে এসেছে, ‘মহান আল্লাহর কাছে দোয়ার চেয়ে অধিক সম্মানিত কোনো কিছু নেই।’
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জান্নাতে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন আমলের বর্ণনা দিয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচটি দোয়া বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রথমত, রাসুল (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি এই দোয়া পাঠ করবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।’ দোয়াটি হলো: رَضيتُ بالله رَبّاً ، وبالإسلامِ ديناً ، وبمحمَدٍ نَبِيًّا وَّرَسولاً।
দ্বিতীয়ত, রাসুল (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি দোয়া سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ পাঠ করবে, তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুরগাছ রোপণ করা হবে।’ তৃতীয়ত, প্রত্যেক নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়লে জান্নাত নিশ্চিত।
আবু উমামাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে, তাকে মৃত্যু ছাড়া আর কিছু জান্নাতে যেতে বাধা দিতে পারবে না। জান্নাত লাভের জন্য দোয়া করা সুন্নত এবং এর বড় ফজিলত রয়েছে।