সাউথ এশিয়ান রিপোর্ট ডেস্ক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক রাজপথে আন্দোলন ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সংগঠনের মধ্যে সুপরিচিত হয়ে উঠেছেন। তার নাম বর্তমানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় অন্যতম প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তারিক তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে আস্থা অর্জন করেছেন। তিনি বলেন, “আমি নিজেকে ছাত্রদলের একজন কর্মী মনে করি। ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রত্যেকটি আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম।” তারিকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের মূল্যায়ন করবে দল, এমন আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তারিক বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে ছাত্ররাজনীতির প্রথম সারিতে ছিলেন এবং একাধিকবার হামলা, নির্যাতন ও মামলার শিকার হন। তার অনুসারীদের মতে, তিনি বর্তমানে শরীরে ৯টি গুলি বহন করছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে এক দশকের বেশি সময় ধরে গ্রামের বাড়িতে যেতে পারেননি তিনি।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। আন্দোলনের প্রথম মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। এছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে গঠিত সিএসএফের দায়িত্বেও তাকে দেখা গেছে।
রাজনীতির পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থী ও অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ভিন্নধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তারিক। তিনি একাধিক শিক্ষার্থীর ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ পরিচালনা করেছেন এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছেন। তার মানবিক কাজের মধ্যে রক্তদান কর্মসূচি ও অসচ্ছল রোগীদের চিকিৎসায় সহায়তা উল্লেখযোগ্য।