গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিল ডিবি

রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার তরুণ সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও বড় ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। শনিবার বিকেলে তাঁদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে প্রায় চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।পুলিশ ও কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে রংপুর ডিবি পুলিশের একটি দল মাছুয়াপাড়ায় গিয়ে সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে গাড়িতে তুলে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়।ডিবি সূত্র জানায়, চার হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তথ্য জানতে বিনয় ও পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।রংপুর ডিবির উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী রাত সোয়া ১১টার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘হত্যার শিকার চারজনের বাড়ির পাশেই আসামি সিদ্ধার্থ দাসের বাড়ি। স্পর্শকাতর ওই ঘটনার বিষয়ে জানার জন্য তাঁর বাবা ও ভাইকে কয়েকবার ডিবি কার্যালয়ে আসতে বলা হয়েছিল। তাঁরা আসেননি। তাই বিকেলে তাঁদের নিয়ে আসা হয়। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে নতুন কিছু পাওয়া যায়নি। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’গত শনিবার রাতে মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।এ ঘটনায় গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে একই এলাকার কানু দাসের ছেলে মুগ্ধ দাস ও বিনয় দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজন আদালতে স্বেচ্ছায় হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।Read More: Read More

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top