৯ম জাতীয় বেতন স্কেল চূড়ান্ত — সর্বনিম্ন বেতন ২০,০০০ টাকা, জুলাই থেকে কার্যকর
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে সরকার বাংলাদেশের ৯ম জাতীয় বেতন স্কেল চূড়ান্ত করেছে। জুন মাসের শেষ নাগাদ সরকারি গেজেট প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
| গ্রেড | বর্তমান বেতন | প্রস্তাবিত নতুন বেতন | বৃদ্ধির হার |
|---|---|---|---|
| সর্বনিম্ন গ্রেড (২০) | ৮,২৫০ টাকা | ২০,০০০ টাকা | প্রায় ১৪২% |
| সর্বোচ্চ গ্রেড (১) | ৭৮,০০০ টাকা | ১,৬০,০০০ টাকা | প্রায় ১০৫% |
সরকারি গেজেট প্রকাশিত হওয়ার প্রত্যাশিত সময়সীমা
প্রথম পর্যায় শুরু — মূল বেতনে ৫০% বৃদ্ধি কার্যকর এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে নতুন বেতন কাঠামো প্রযোজ্য
অবশিষ্ট বেতন বৃদ্ধি ধাপে ধাপে সমন্বয় করা হবে
কিছু সরকারি কর্মচারী উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং এককালীন পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন।
বাংলাদেশ সরকারের প্রতীক্ষিত ৯ম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোতে বিদ্যমান ২০টি বেতন গ্রেড অপরিবর্তিত রাখা হলেও প্রতিটি গ্রেডে বেতনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হচ্ছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন গ্রেডের বেতন বর্তমান ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা করা হবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১,৬০,০০০ টাকা। এই বিশাল পরিবর্তন বাস্তবায়নে আসন্ন বাজেটে প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা মাথায় রেখে সরকার ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১ জুলাই থেকে প্রথমে মূল বেতনে ৫০% বৃদ্ধি দেওয়া হবে এবং বাকি অংশ পরবর্তী দুই অর্থবছরে সমন্বয় করা হবে। এই পরিকল্পনায় প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগীর সুবিধার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৯ম বেতন স্কেল নিঃসন্দেহে সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে কর্মচারীরা কতটুকু স্বস্তি পাবেন, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। গেজেট প্রকাশ ও পূর্ণ বাস্তবায়নের বিষয়ে সাউথ এশিয়ান রিপোর্ট সর্বশেষ আপডেট জানাতে থাকবে।