শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষকদের ভিড় ও অভিযোগের তদন্ত

সাউথ এশিয়ান রিপোর্ট ডেস্ক শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা ভবনে গত কয়েক মাস ধরে প্রতিদিন সহস্রাধিক শিক্ষকের ভিড় দেখা যাচ্ছে। এই ভিড়ের কারণ হিসেবে জানা গেছে, শিক্ষকরা পদোন্নতি, বদলি, গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন, এমপিওভুক্তকরণ, বকেয়া বেতন ছাড় এবং অনুদানসহ নানা ধরনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক তদবিরে ব্যস্ত রয়েছেন।

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “সব শিক্ষকই ঢাকায় বদলি হতে চান। বদলির অনুরোধ নিয়ে শিক্ষকরা এত বেশি আসেন যে মন্ত্রণালয়ে অফিস কক্ষেও সহজে প্রবেশ করতে পারি না।”

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পদোন্নতি, বদলি ও গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন নিয়ে শিক্ষা ভবনে একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই সিন্ডিকেটে শতাধিক দালাল যুক্ত রয়েছে, যারা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক শ্রেণির কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় কাজ করছে।

বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য দালাল চক্রের মাধ্যমে ঘুষের রেট নির্ধারণ করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা শহরে প্রধান শিক্ষক পদে ৫-১০ লাখ টাকা, জেলা শিক্ষা অফিসার পদে ৫-১০ লাখ টাকা এবং উপপরিচালক পদে ২০-৩০ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়।

মাগুরার যুবদলের এক নেতা অভিযোগ করেছেন যে, ২০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েও তার বদলির আদেশ বাতিল হয়নি। তিনি জানান, মাউশির একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে এই ঘুষের লেনদেন হয়। তবে মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেছেন, মাউশির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top