সাউথ এশিয়ান রিপোর্ট ডেস্ক রাজধানীর গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ছয় নেতা-কর্মীকে পৃথক তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে আদালত। শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসানের আদালত এ আদেশ দেন।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন যশোরের চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাসুদ চৌধুরী, সদস্য এস এম রেজওয়ান হাবিব আলিফ, কর্মী মো. আমিনুর রহমান, যশোরের মাইকেল মধুসূদন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক নান্নু মিয়া, চৌগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. ইব্রাহিম হোসেন এবং মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা আওয়ামী লীগের কর্মী সজল আহমেদ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে এম মফিজুর রহমান আদালতে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার রাতে গুলশান শুটিং ক্লাবের সামনে দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, গুলশান-১ এলাকার একটি শপিং মলের ফুডকোর্টে আসামিরা বৈঠক করছেন। সেখানে তারা নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিদের কাছ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একাধিক কমিটির তালিকা জব্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আসামিদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে নাশকতার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।